What Is Traded In Forex? (ফরেক্সে কী ট্রেড করা হয়?)
👉ফরেক্সে কী ট্রেড করা হয়?
ফরেক্স মার্কেটে মূলত মুদ্রা (Currency) ট্রেড করা হয়। খুব সহজভাবে বললে, ফরেক্সে কোনো পণ্য বা শেয়ার কেনাবেচা হয় না। এখানে এক দেশের মুদ্রার বিপরীতে আরেক দেশের মুদ্রা কেনা ও বিক্রি করা হয়।
যেহেতু এখানে কোনো শারীরিক পণ্য নেই, তাই বিষয়টি অনেকের কাছে একটু বিভ্রান্তিকর লাগতে পারে। বিষয়টি সহজ করে বোঝার জন্য একটি উদাহরণ দেওয়া যায়।
ধরা যাক, আপনি কোনো দেশের মুদ্রা কিনছেন। আসলে আপনি সেই দেশের অর্থনীতির ওপর এক ধরনের “বিশ্বাস” বা “বেট” ধরছেন। ঠিক যেমন কেউ কোনো কোম্পানির শেয়ার কেনে এই আশা করে যে কোম্পানিটি ভবিষ্যতে ভালো করবে।
উদাহরণ হিসেবে, যদি আপনি জাপানি ইয়েন (JPY) কেনেন, তাহলে এর মানে হলো আপনি বিশ্বাস করছেন যে জাপানের অর্থনীতি বর্তমানে ভালো অবস্থায় আছে বা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে। যদি আপনার ধারণা সঠিক হয় এবং ইয়েনের মূল্য বাড়ে, তাহলে পরে বিক্রি করে আপনি লাভ করতে পারেন।
ফরেক্স ট্রেডিংয়ে প্রতিটি মুদ্রার বিনিময় হার মূলত সেই দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার প্রতিফলন। একটি দেশের অর্থনীতি অন্য দেশের তুলনায় যত শক্তিশালী হয়, সাধারণত তার মুদ্রার মানও তত বেশি শক্তিশালী হয়।
সংক্ষেপে বলা যায়,
ফরেক্সে ট্রেড করা হয় মুদ্রা, আর মুদ্রার দামের ওঠানামা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার ওপর।
প্রধান মুদ্রাগুলো (Major Currencies)
ফরেক্স মার্কেটে অনেক দেশের মুদ্রা থাকলেও, নতুন ট্রেডাররা সাধারণত যেসব মুদ্রা দিয়ে শুরু করে, সেগুলোকে বলা হয় প্রধান মুদ্রা (Major Currencies)
![]() |
| (বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ট্রেড হওয়া ৮টি প্রধান মুদ্রা তুলনামূলক চিত্র) |
এগুলোকে প্রধান মুদ্রা বলা হয় কারণ
এগুলো সবচেয়ে বেশি ট্রেড হয়
এগুলো বিশ্বের বড় ও শক্তিশালী অর্থনীতিগুলোকে প্রতিনিধিত্ব করে
সাধারণভাবে নিচের আটটি মুদ্রাকে প্রধান মুদ্রা ধরা হয়:
কোড – দেশ – মুদ্রার নাম – ডাকনাম
USD – যুক্তরাষ্ট্র – ডলার – Buck
EUR – ইউরোজোন – ইউরো – Fiber
JPY – জাপান – ইয়েন – Yen
GBP – যুক্তরাজ্য – পাউন্ড – Cable
CHF – সুইজারল্যান্ড – ফ্রাঁ – Swissy
CAD – কানাডা – ডলার – Loonie
AUD – অস্ট্রেলিয়া – ডলার – Aussie
NZD – নিউজিল্যান্ড – ডলার – Kiwi
কারেন্সি কোড কীভাবে কাজ করে?
প্রতিটি মুদ্রার একটি তিন অক্ষরের কোড থাকে, যাকে বলা হয় ISO 4217 Currency Code।
এই তিন অক্ষরের মধ্যে
প্রথম দুই অক্ষর দেশের নাম বোঝায়
শেষ অক্ষর মুদ্রার নাম বোঝায়
উদাহরণ
NZD
NZ = নিউজিল্যান্ড
D = ডলার
এই পদ্ধতিটি ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক মান সংস্থা (ISO) চালু করে, যা আজও বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হচ্ছে।
চালু মুদ্রা হলো ব্রিটিশ পাউন্ড, যা ৮ম শতাব্দী থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিশ্বের সবচেয়ে নতুন মুদ্রা হলো Zimbabwe Gold (ZiG), যা ৮ এপ্রিল ২০২৪ সালে চালু হয়।
পরবর্তী অধ্যায় পড়তে এখানে ক্লিক করুন 👉 Next Topic:


Aro post chi bangla forex shikha valo platforem
উত্তরমুছুন