Impress Your Date with Forex Lingo ফরেক্সের ভাষা শিখে সবাইকে ইমপ্রেস করুন
ফরেক্সের ভাষা শিখে সবাইকে ইমপ্রেস করুন
যেকোনো নতুন স্কিল শেখার মতোই ফরেক্স ট্রেডিং শিখতেও আগে তার নিজস্ব ভাষা বা লিংগো বুঝে নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে আপনি যদি একজন নতুন ট্রেডার হন, তাহলে প্রথম ট্রেড নেওয়ার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ টার্ম হাতের তালুর মতো জানা দরকার।
আপনি হয়তো এর মধ্যে কিছু শব্দ আগে শিখেছেন, তবুও একটু রিভিশন ক্ষতি করে না। চলুন, ফরেক্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো সহজভাবে দেখে নেওয়া যাক।
![]() |
| ফরেক্স ট্রেডিংয়ের বেসিক লিংগো শেখা নতুন ট্রেডারদের জন্য প্রথম ধাপ। |
Major, Minor এবং Exotic Currencies
![]() |
| ফরেক্স মার্কেটে ব্যবহৃত Major, Minor ও Exotic কারেন্সির ধরন। |
Major Currencies (মেজর কারেন্সি)
Major currencies হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ট্রেড হওয়া মুদ্রাগুলো। সাধারণত বড় এবং স্থিতিশীল অর্থনীতির দেশগুলোর মুদ্রাই এখানে পড়ে। এগুলো খুবই লিকুইড এবং ফরেক্স মার্কেটে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য।
সবচেয়ে বেশি ট্রেড হওয়া ৮টি মুদ্রা হলো:
USD, EUR, JPY, GBP, CHF, CAD, AUD এবং NZD
এগুলোকেই বলা হয় “Majors”। লিকুইডিটি বেশি, স্প্রেড কম এবং ট্রেডারদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয়।
Minor Currencies (মাইনর কারেন্সি)
Minor currencies আসে তুলনামূলক ছোট বা উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ থেকে। এগুলোতেও ট্রেড হয়, তবে মেজর কারেন্সির তুলনায় লিকুইডিটি কম থাকে।
এই কারেন্সিগুলোর স্প্রেড সাধারণত একটু বেশি হয় এবং মুভমেন্ট তুলনামূলক ধীর বা অনিয়মিত হতে পারে।
Exotic Currencies (এক্সোটিক কারেন্সি)
Exotic currencies আসে ছোট, কম উন্নত বা উদীয়মান অর্থনীতির দেশ থেকে। এগুলো সবচেয়ে কম লিকুইড এবং সবচেয়ে বেশি ভোলাটাইল।
এক্সোটিক পেয়ার ট্রেড করলে স্প্রেড বেশি হয় এবং ঝুঁকিও তুলনামূলক বেশি থাকে। তাই নতুনদের জন্য এগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।
Base Currency (বেস কারেন্সি)
যেকোনো কারেন্সি পেয়ারের প্রথম মুদ্রাটিই Base Currency।
এই কারেন্সির মান দ্বিতীয় মুদ্রার বিপরীতে প্রকাশ করা হয়।
উদাহরণ:
USD/CHF = 1.6350
এর মানে ১ USD = 1.6350 CHF
ফরেক্স মার্কেটে সাধারণত USD-কে বেস কারেন্সি ধরা হয়। তবে GBP, EUR, AUD এবং NZD এর ক্ষেত্রে এই নিয়মের ব্যতিক্রম আছে।
Quote Currency (কোট কারেন্সি)
কারেন্সি পেয়ারের দ্বিতীয় মুদ্রাটিই Quote Currency।
এটিকে অনেক সময় pip currency বলা হয়, কারণ লাভ বা ক্ষতি সাধারণত এই কারেন্সিতেই হিসাব করা হয়।
Pip (পিপ)
![]() |
| Pip, Bid-Ask price এবং Spread কীভাবে ফরেক্সে কাজ |
Pip হলো ফরেক্সে দামের সবচেয়ে ছোট পরিবর্তনের একক।
বেশিরভাগ কারেন্সি পেয়ার ৫ ডিজিটে কোট হয়।
যেমন: EUR/USD = 1.2538
এখানে 0.0001 পরিবর্তন মানেই ১ পিপ।
যেসব পেয়ারে জাপানি ইয়েন (JPY) আছে, সেখানে
১ পিপ = 0.01
Pipette (পিপেট)
Pipette হলো এক পিপের এক-দশমাংশ।
অনেক ব্রোকার ৫ ডিজিটের বদলে ৬ ডিজিটে দাম দেখায়।
যেমন:
EUR/USD = 1.23456
এখানে শেষের “6” হলো ৬ পিপেট।
উদাহরণ:
1.2345 → 1.2346 = 1 Pip
1.23456 → 1.234567 = 1 Pipette
পিপেট ব্যবহার করলে এন্ট্রি ও এক্সিট আরও নিখুঁত হয়, যা স্ক্যাল্পিং বা হাই-ফ্রিকোয়েন্সি ট্রেডিংয়ে কাজে লাগে।
Bid Price (বিড প্রাইস)
Bid price হলো সেই দাম, যেখানে মার্কেট আপনার কাছ থেকে কারেন্সি কিনতে প্রস্তুত।
এই দামে আপনি Base Currency বিক্রি করেন।
কোটের বাম পাশে এটি দেখানো হয়।
উদাহরণ:
GBP/USD = 1.8812/15
এখানে Bid = 1.8812
মানে আপনি ১ GBP বিক্রি করে 1.8812 USD পাবেন।
Ask / Offer Price (আস্ক প্রাইস)
Ask price হলো সেই দাম, যেখানে মার্কেট আপনাকে কারেন্সি বিক্রি করবে।
এই দামে আপনি Base Currency কিনেন।
এটি কোটের ডান পাশে থাকে।
উদাহরণ:
EUR/USD = 1.2812/15
এখানে Ask = 1.2815
মানে আপনি ১ EUR কিনতে 1.2815 USD দিতে হবে।
Bid–Ask Spread (স্প্রেড)
Spread হলো Bid এবং Ask প্রাইসের পার্থক্য।
উদাহরণ:
USD/JPY = 118.30 / 118.34
স্প্রেড = 4 পিপ
স্প্রেড যত কম, ট্রেডারের জন্য তত ভালো।
Quote Convention (কোট কনভেনশন)
ফরেক্সে কোট সাধারণত এই ফরম্যাটে দেওয়া হয়:
Base Currency / Quote Currency = Bid / Ask
উদাহরণ:
EUR/USD = 1.2345 / 1.2347
এখানে:
Base Currency: EUR
Quote Currency: USD
Spread: 2 পিপ
Transaction Cost (লেনদেন খরচ)
Bid–Ask Spread-ই হলো ট্রেডারের মূল ট্রানজেকশন কস্ট।
একটি ট্রেড খুলে আবার বন্ধ করাকে বলা হয় Round-turn trade।
ফর্মুলা:
Transaction Cost = Ask Price − Bid Price
Cross Currency Pair (ক্রস কারেন্সি)
যে কারেন্সি পেয়ারে USD নেই, তাকে বলে Cross Currency Pair।
যেমন: EUR/GBP
এই ধরনের পেয়ার ট্রেড করলে কার্যত দুইটি USD ট্রেড একসাথে হয়, তাই ঝুঁকি ও স্প্রেড সাধারণত বেশি থাকে।
Margin (মার্জিন)
ফরেক্স ট্রেড করার জন্য ব্রোকারের কাছে যে নিরাপত্তা আমানত রাখতে হয়, সেটাই Margin।
উদাহরণ:
লিভারেজ: 200:1
মার্জিন: 0.5%
ট্রেড সাইজ: $10,000
তাহলে দরকার হবে মাত্র $50 মার্জিন।
Leverage (লিভারেজ)
Leverage আপনাকে কম ক্যাপিটাল দিয়ে বড় ট্রেড নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ দেয়।
লিভারেজ হতে পারে: 2:1 থেকে 500:1 পর্যন্ত
লিভারেজ যেমন লাভ বাড়াতে পারে, তেমনি ক্ষতিও বাড়াতে পারে। তাই সাবধানে ব্যবহার করা জরুরি।
শেষ কথা
এখন আপনি ফরেক্সের বেসিক লিংগো জানেন। চাইলে এখন আপনার বন্ধুবান্ধব বা ডেটকেও ফরেক্স টার্ম দিয়ে ইমপ্রেস করতে পারবেন।
পরবর্তী পাঠ পড়তে এখানে ক্লিক করুন 👉 Next Topic
____________________________
👉 Exness-এ একাউন্ট খুলতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:
নোট:-
ফরেক্স ট্রেডিং ঝুঁকিপূর্ণ। ট্রেড করার আগে ভালোভাবে শিখে এবং নিজ দায়িত্বে সিদ্ধান্ত নিন।



মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন